ঢাকা, রোববার 09 March 2017, ২৬ চৈত্র ১৪২৩, ১১ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ইন্দুরকানীতে ৭ বছরের শিশু মুক্তিযোদ্ধার তালিকায়

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মুক্তিযুদ্ধকালীন ৭ বছরের শিশুর নাম মুক্তিযুদ্ধের তালিকায় থাকা নিয়ে  এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃস্টি হয়েছে। ৭ বছর বয়সী এ শিশু বর্তমানে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং তিনি সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করা সহ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতাও পাচ্ছেন।
জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুক্তিযোদ্ধা সংজ্ঞা অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে একজন মুক্তিযোদ্ধার বয়স ন্যূনতম ১৩ বছর থাকার কথা। কিন্তু ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের মৃত্যু ছৈয়দ আলী সেপাইর ছেলে মোঃ আবু হানিফ মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নিজের নাম ঠিক রাখার জন্য বয়স জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দীর্ঘ বছর ধরে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন। এলাকায় হানিফ সেপাই নামে তিনি পরিচিত। বর্তমানে তিনি উপজেলার উত্তর বালিপাড়া রেজিস্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (নব জাতীয়করণ) একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তার স্কুল কোড নং-৯৯৫০২০৭৯০০১। এসএসসির সনদ অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯৬৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী।  বাগেরহাট জেলার শরনখোলা উপজেলার জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৮১ সালে মানবিক শাখায় তৃতীয় বিভাগে পাস করেন। যার রোল নং- রায়েন্দা ৫৩৫, সনদ নং-০৬৪৪৮, নিবন্ধন নং-৪২৪৯১/১৯৭৭-৭৮। এই সনদ দিয়েই তিনি ১৯৮১ সালের ১ জুলাই সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। জন্ম তারিখ অনুযায়ী চাকরিতে যোগদানের সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ৪ মাস ২৫ দিন। এছাড়া ২০০৮ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পরীক্ষায় জিপিএ ১.৭৫ পেয়ে এইচ এসসি পাস করেন। শুধু মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিই নয় ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে কিভাবে তিনি চাকরিতে প্রবেশ করলেন তা নিয়েও এখন প্রশ্ন সবার মুখে। এছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী তার বয়স এসএসসি সনদ অনুযায়ী একই। তার এনআইডি নাম্বার ৭৯১৯০১৫৭০৫৭২১।
এই সনদ দিয়েই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার সন্তানরাও ইাতমধ্যে সরকারি চাকরি নিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ