ঢাকা, বুধবার 02 August 2017, ১৮ শ্রাবণ ১৪২8, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল

* বিচারকদের রাষ্ট্রপতির নিয়ন্ত্রণ সংবিধান পরিপন্থী -প্রধান বিচারপতি

নাজমুল আহসান রাজু : বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করার সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে। রায়ে বিচারপতি অপসারণে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। সর্বসম্মতভাবে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ এর সবগুলো উপধারা পুনর্বহাল করা হয়েছে। এর ফলে বিচারপতি অপসারণ করতে হলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধান অনুসরণ করতে হবে। 

এদিকে রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংবিধানের পরিপন্থী বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমন মতামত তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা। তার মতামতের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার। তবে এ মতের সঙ্গে একমত হতে ‘অক্ষমতা’ প্রকাশ করেছেন বেঞ্চের অন্য বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এ মামলার বিষয়বস্তু না হওয়ায় ১১৬ অনুচ্ছেদের বিষয়ে মত দেননি বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা এবং বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ১১৬ অনুচ্ছেদ বিষয়ে কিছুই বলেননি বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী।

রায়ে বলা হয়েছে, সর্বসম্মতভাবে আপিল (সরকারের) খারিজ করা হলো। রায়ে সংসদ সদস্যদের ফৌজদারী অপরাধ মামলার বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রায়ে দেয়া উদ্ধৃতি রহিত (এক্সপাঞ্জ) করা হয়েছে। সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের উপধারা (২), (৩), (৪), (৫), (৬), এবং (৭) পুনর্বহাল করা হলো। বিচারপতিদের আচরণ বিধিমালা মূল রায়ে অনুমোদন করা হলো।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা, আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো.আবদুল ওয়াহহাব মিঞা, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার রায়ে স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষরের পর ৭৯৯ পৃষ্ঠার এই রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য বনাম আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী ও অন্যান্য শিরোনামে রয়েছে। 

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা তার রায়ের পর্যবেক্ষণের শেষের দিকে বলেছেন, সর্বোচ্চ আদালতের রায় অভ্রান্ত নয়। কিন্তু এটা অকাট্য কারণ সাংবিধানিকভাবে এটাই চুড়ান্ত। ষোড়শ সংশোধনীতে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদীয় পদ্ধতিতে ন্যস্ত করা হয়েছিল। এই সংশোধনী সংবিধান বহির্ভূত। ষোড়শ সংশোধনীর আগের বিধান প্রতিস্থাপন করা হলো। একই সঙ্গে আপিল খারিজ করা হলো। রায়ে বলা হয় আইন এবং ন্যায় বিচার ধ্বংসের ফলে সমাজ ধ্বংস আনে, আইনের সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচার ধ্বংসা করা যায়না। 

জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো.আবদুল ওয়াহহাব মিঞা পর্যবেক্ষণে বলেন, গণতন্ত্র, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন সংবিধানের মৌলিক কাঠামো। সেখানে গণতন্ত্র থাকবে না যেখানে ‘অফ দি পিপল, বাই দ্যা পিপল এবং ফর দ্যা পিপল’ এর জন্য স্বাথীন বিচার বিভাগ কেন্ত্রীয়ভাবে ভূমিকা রা রাখতে পারে। বলা বাহুল্য গণতন্ত্র হলো রক্তস্নাত এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে একটি মল্লযুদ্ধ। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত হলো- ক্ষমতার পৃথককরণ, আইনের শাসন, এবং মৌলিক অধিকার। আধুনিক গণতন্ত্র মানেই সংসদে প্রতিনিধিত্ব নির্ভর নয়। 

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল এখন সংবিধানের অংশ। এটা আক্রমনাত্বক নির্বাহী বিভাগের হাত থেকে বিচার বিভাগের রক্ষাকবচ। এই রক্ষাকবচের ক্ষেত্রে কোনো যুক্তি বা কোনো পরিস্থিতিই বিবেচ্য হতে পারে না। কিন্তু ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে এটাই করা হয়েছে। হাইকোর্ট সঠিকভাবেই এই এটাকে প্রতিহত করেছে। আমি গভীরভাবে অনুভব করি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরো কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণের সাতে এক মত পোষণ করেন। 

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, সংসদের মাধ্যমে বিচারক অপসারণের বিধান বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতাকে খাটো করেছে। এক্ষত্রে আপিল করার সুযোগ সীমিত।

বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী পর্যবেক্ষণে বলেন, ১৯৮৫ সালে গৃহীত জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিষয়ক নীতিমালা বলা হয়েছে কোনো বিচারক অসদাচারণের জন্য অপসারণ হবেনা না যদি না সুষ্ঠু, পক্ষপাতহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত দ্বারা কেউ সাব্যস্ত না হন। এই তদন্ত অবশ্যই সরকারের অন্য শাখা থেকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে হতে হবে। সংবিধান সংসদকে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা দেয়নি। বরং ষোড়শ সংশোধনীর প্রভাব দুনীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও কম্পোট্রলার এন্ড অডিটর জেনারেলের ওপর পড়তো। তাই আফির খারিজ করা হলো।

যাই হোক বিচারক অপসারণে কাউন্সিল/বডি/ট্রাইব্যুনাল গঠন কিভাবে হবে, যে নামেই হোক এর কাজের প্রক্রিয়া কি হবে সুপ্রিম কোর্ট বিস্তারিত নিদের্শনা দিতে পারে।

বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, আমি প্রধান বিচারপতির সাথে ১১৬ অনুচ্ছেদের ব্যপারে একমত হতে পারছিনা। আপিল খারিহ করা হলো। ব্লেইস পাসকেলের একটি উদ্ধতি দিয়ে পর্যক্ষেণ শেষ করেন তিনি।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার পর্যবেক্ষণে বলেন, সংসদের পরিবর্তনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা থাকাই সঠিক। অন্যদিকে সংবিধানের ৯৫(৩) ধারা অনুযায়ী দীর্ঘদিন হলো আইসভা বিচারক নিয়োগে যোগ্যতা নির্ধারণের কোনো নীতিমালা করতে পারেনি। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে বিচারপতি নিয়োগের এই ক্ষমতা ন্যস্ত করা যেতে পারে। যার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন রাষ্ট্রপতি। না হলে একটি বিভাগ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাইবে। এতে করে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো অনুযায়ী ক্ষমতার পৃথককরণ এবং স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে।

গত ৩ জুলাই বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করার সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। 

গত ৮ মে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে টানা ১১ দিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এই আপিলের। গত ১ জুন ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এরপর ৩ জুলাই রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার আপিল শুনানিতে সহায়তার জন্য আদালত ১২ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে এমিকাস কিউরি নিয়োগ দিয়েছিলেন। ১২ জনের মধ্যে ১০ জন আদালতে তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। এমিকাস কিউরি নিযুক্ত হলেও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মতামত দেননি। 

শুনানিতে আদালতে ১০ এমিকাস কিউরির (আদালতকে আইনগত ব্যাখ্যা দিয়ে সহায়তাকারী) মধ্যে ৯ এমিকাস কিউরি বিচারপতি টিএইচ খান, ড. কামাল হোসেন, সাবেক এটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার এম আমির উল ইসলাম, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, এ জে মোহাম্মদ আলী, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পক্ষে তাদের মতামত তুলে ধরেন। শুধু জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে মত দেন।

গত বছরের ১১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে সরকার।

২০১৬ সালের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইনসভার কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। দেশের সংবিধানের শুরুতে এ বিধান ছিল। তবে সেটি ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র। কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ৬৩ শতাংশের এডহক ট্রাইব্যুনাল বা ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিলরের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের বিধান রয়েছে।

আদালতের রায়ে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদের ফলে দলের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্যরা ভোট দিতে পারেন না। তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে জিম্মি। নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা নেই। ৭০ অনুচ্ছেদ রাখার ফলে সংসদ সদস্যদের সব সময় দলের অনুগত থাকতে হয়। বিচারপতি অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও তারা দলের বাইরে যেতে পারেন না। যদিও বিভিন্ন উন্নত দেশে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা আছে।

রায়ে আরও বলা হয়, মানুষের ধারণা হলো বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হবে। সে ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে যাবে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ (১৬তম) সংশোধনী আনা হয়। বিলটি পাসের পর একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৪ সালের ৫ নবেম্বর হাইকোর্টে ৯ জন আইনজীবী এই রিট করেন। তারা হলেন-এডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, এডভোকেট একলাস উদ্দিন ভূইয়া, এডভোকেট ইমরান কাউসার, এডভোকেট মাসুম আলীম, এডভোকেট মো.সারওয়ার আহাদ চৌধুরী, এডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম, এডভোকেট নুরুল ইনাম বাবুল, এডভোকেট শাহীন আরা লাইলী, এডভোকেট রিপন বাড়ৈসহ গত ৫ নবেম্বর জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ৯ নবেম্বর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ ‘ষোড়শ সংশোধনী কেন বেআইনী ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না’ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, আইনসচিব ও সংসদ কার্যালয়ের সচিবকে দু’সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এই রুলের সপ্তদশদিনের শুনানি শেষে রায়ের জন্য ২০১৬ সালের ৫ মে দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

বাহাত্তরের সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ছিল। ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পণ করা হয়। সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে ন্যস্ত করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই থেকে গত চার দশক সুপ্রিম জুডিশয়াল কাউন্সিল ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য পেয়ে আসছিল। এমনকি সর্বোচ্চ আদালতে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের রায় বহাল থাকলেও সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে মার্জনা (পাস্ট এন্ড ক্লোজ) করলে তা বহাল থাকে। আর এই বিধান তুলে দিয়ে সরকার ষোড়শ সংশোধনী পাস করে যাতে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদে ন্যস্ত করে সরকার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ