ঢাকা, বুধবার 02 August 2017, ১৮ শ্রাবণ ১৪২8, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রাজধানীতে অস্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (এইচআরডিআই) এবং অস্ট্রেলিয়ান একাডেমি অব বিজনেস লিডারশীপ (এএবিএল) যৌথভাবে রাজধানীর সোবহানবাগে ড্যাফোডিল টাওয়ার মিলনায়তনে গত শনিবার বিকেলে Ph. D. Scholarship Opportunity in Australia & Capacity Building in Research শিরোনামে এক বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের এর ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ আহমেদ সোবহানির সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অস্ট্রেলিয়ান একাডেমি অব বিজনেস লিডারশীপ (এএবিএল)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব লিডারশীপ (আইআইএল)-এর প্রেসিডেন্ট ড. মো: শফিকুর রহমান। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি গবেষক হিসেবে স্কলারশিপ প্রাপ্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে তথ্যবহুল আলোচনা উপস্থাপন করে বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি ও বৃত্তির জন্য অনেক সুযোগ রয়েছে। যারা আবেদন করেন, তাদের আবেদনপত্র দেখে প্রথমেই তারা কোন দেশের বাসিন্দা, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা অস্ট্রেলীয় শিক্ষার সমমানের কি না, তা মূল্যায়ন করা হয়। এরপর স্নাতক/ স্নাতকোত্তরে ভালো ফলাফলের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয় এবং দুটিতেই সিজিপিএ-৩.৫-এর বেশি থাকলে ভালো। স্নাতক/স্নাতকোত্তর পর্যায়ে থিসিস বা অভিসন্দর্ভ অবশ্যই থাকতে হবে। সেই থিসিস কমপক্ষে ১০ থেকে ১৪ হাজার শব্দের মধ্যে ৭০ থেকে ১০০ পৃষ্ঠার হতে হবে। থিসিসগুলো আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশ পেলে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি ও বৃত্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য ৫ টি গবেষণামূলক প্রবন্ধ থাকা প্রয়োজন। প্রকাশিত প্রবন্ধ না থাকলে প্রকাশের জন্য গৃহীত পত্র থাকলেও চলবে।

ড. শফিকুর রহমান বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি ও বৃত্তিপ্রাপ্তির প্রধান শর্ত ভালো আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হবে। প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা নূ্যূনতম আইইএলটিএস স্কোর (৬-এর কম নয়) চায়। যার আইইএলটিএস স্কোর যত ভালো তাকে তত বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়। যেহেতু যেকোনো গবেষণামূলক প্রবন্ধ, থিসিস বা প্রতিবেদন ইংরেজিতে লিখতে হয়, তাই ইংরেজি ভাষায় ভালো দখল থাকলে পিএইচডি থিসিস রচনার কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। যখন স্কাইপে ইন্টারভিউ নেয়া হয়, তখন ইংরেজিতে ভালোভাবে কথা বলার সক্ষমতা ও লেখার দক্ষতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। তিনি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চতর শিক্ষা ও পিএইচডি গবেষণা এবং বৃত্তির নানা রকম সুযোগ-সুবিধা বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন। এ কর্মশালায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ