ঢাকা, রোববার 19 August 2018, ৪ ভাদ্র ১৪২৫, ৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অনৈতিক কর্মকান্ডের অপরাধে রাজারহাটে এসআই মিজান ক্লোজ ॥ এলাকায় চাঞ্চল্য 

 

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা : গতকাল শনিবার কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানার এসআই মিজানুর রহমানের অনৈতিক কর্মকা-ের অপরাধে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে কুড়িগ্রাম পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। ওই ঘটনা সম্পর্কে কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ভিকটিমসহ প্রত্যক্ষদর্শী ২/১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এসআই মিজানুরের বিরুদ্ধে আইনানুগ কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজারহাট থানার এসআই মিজানুর রহমান রাজারহাট থানায় যোগদান করার পর থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা-ে সহযোগিতা করে আসছিল। সম্প্রতি ছিনাই ইউনিয়নের গাঁজা- ফেনসিডিলে মাদক আইনে এক নিরীহ রিকশাচালককে আটকিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুধখাওয়া ম-লপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের এক কলেজ পড়–য়া কন্যার সাথে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। প্রায়ই রাতে এসআই মিজানুর ওই বাড়িতে অবাধে যাতায়াত করে। বিষয়টি জানাজানির একপর্যায়ে গত ১৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এসআই মিজানুর রহমান ওই কলেজ ছাত্রীর কক্ষে প্রবেশ করে দৈহিক মেলামেশায় লিপ্ত হলে এলাকাবাসীরা ছুটে এসে তাদের দু’জনকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে। অনেকে এসআই মিজানুর রহমানকে কিলঘুষি ও চরথাপ্পর মারতে থাকে। গভীর রাতে খবর পেয়ে রাজারহাট থানার অপর এসআই (সাব-ইন্সপেক্টর) নুর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কৌশলে স্থানীয় ইউপি সদস্য বিপ্লব আলী, আব্দুল কুদ্দুস, আতিক ও উৎসুক জনতাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে নগদ দেড় লাখ টাকায় বিষয়টি তড়িঘড়ি করে আপস করে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি রাজারহাট উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়লে ১৭ আগস্ট শুক্রবার ‘টপ দ্যা টাউনে’ পরিণত হয়। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানার পর কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার মেহেদুল করিমের নির্দেশে ১৮ আগস্ট শনিবার এসআই মিজানুর রহমানকে কুড়িগ্রাম পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোখলেসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ