ঢাকা, রোববার 10 February 2019, ২৮ মাঘ ১৪২৫, ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সখিপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে ৩০০টি করাতকল ১০৫টি ইটভাটা

সখিপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলের সখিপুর-মির্জাপুর-ঘাটাইল উপজেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতর ৩০০টি করাতকল  স্থাপনের পর এবার এক একরের বেশি ফসলি জমিতে ১০৫টি ইটভাটা স্থাপন করা হয়েছে। এখানে অনিয়মই নিয়ম। বন আইনে রয়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ১৩ কি.মি. মধ্যে ইটভাটা এবং ৩কি.মি.এর মধ্যে কোন করাতকল স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু এ আইনের কোনো তোয়াক্কাই করা হচ্ছে না। বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা/কর্মচারী ও পরিবেশ অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে ব্যাঙের ছাতার মতো বনাঞ্চলের ভেতর অবৈধ করাতকল ও ইটভাটা গড়ে উঠেছে। ইটভাটায় বনাঞ্চলের কাঠ পুড়ানো ও অবৈধ করাতকলে চোরাই কাঠ ভাঙ্গানোর কারণে পরিবেশ বিপর্যয়  ও জলবায়ুর আশু পরিবর্তন ঘটছে। ফলে ধীরে ধীরে বন্য জীবজন্তু বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে এবং ধরিত্রীতে জনমানব বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সেই সাথে আবহাওয়া,জলবায়ু পরিবর্তন হওয়ায় এদেশ ষড়ঋতু থেকে দ্বি-ঋতুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও পরিবেশ বিপর্যয় রক্ষার্থে সারা বিশে^ জনসচেতনতা ও উন্নত দেশগুলোকে তহবিল গঠনে সভা-সেমিনার করা হলেও মাঠ পর্যায়ে এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে না। বাশতৈল,হতেয়া,বহেড়াতৈল ও ধলাপাড়া রেঞ্জের ভিতর ৩০০টি অবৈধ করাতকল স্থাপিত হয়েছে। আর ১০৫টি ইটভাটা স্থাপিত হয়েছে-বহেড়াতৈল রেঞ্জে ৫টি,বাশতৈল রেঞ্জে ৪৮টি,ধলাপাড়া রেঞ্জে ৫০টি ও হতেয়া রেঞ্জে ২টি ইটভাটা রয়েছে। এ বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জ অফিসার এস এম হাবীবুল্লাহ বলেন,ধলাপাড়া রেঞ্জে ১১৫টি অবৈধ করাতকল তালিকা করা হয়েছে,ইটভাটাও তালিকা করা হচ্ছে-অচিরেই করাতকল ও ইটভাটা উচ্ছেদ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ