ঢাকা, বৃহস্পতিবার 23 May 2019, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৭ রমযান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সাংবাদিকদের সম্মানে চট্টগ্রামে আইআইইউসির ইফতার মাহফিল

চট্টগ্রাম ব্যুরো : আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি)এর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর কে. এম. গোলাম মহিউদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বহুলনন্দিত এবং একিিট সফল উদ্যোগের নাম, যা জাতির জন্যে ব্যাপক কল্যাণ বয়ে এনেছে। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে এখন অসংখ্য মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর প্রথম পছন্দ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষা প্রদান সারাদেশে একটা বিপ্লব সাধন করেছে। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) এই বিপ্লবের প্রথম সারির অংশীদার। এ কথা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, আইআইইউসি- সর্বপ্রথম চট্টগ্রামে সাফল্যের সাথে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে। ১৯৯৫ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সামাজিক কল্যাণ ও উন্নয়নে আগ্রহী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী স্বনামধন্য জ্ঞানী-গুণী কিছু ব্যক্তির উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানের সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশাত্নবোধ, মানবতাবোধ, সততা, বিজ্ঞানমনস্কতা, দক্ষতা এবং জীবনধর্মীতা সৃষ্টি করা, যাতে ধর্ম ও বিজ্ঞানের আলোকে তারা আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।  গত সোমবার নগরের একটি রেস্টুরেন্টে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত   ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।  তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম  এর ৬টি অনুষদের অধীনে ১১টি বিভাগ রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০২ জন সার্বক্ষণিক শিক্ষকসহ প্রায় ৪০২ জন শিক্ষক এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা প্রদান করছেন।  সমৃদ্ধ অবকাঠামো আইআইইউসি’র একটি উল্লেখযোগ্য দিক। ৪৩ একর জমির উপর নিজস্ব ক্যাম্পাসে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষের অধিক বর্গফুট জায়গায় ৪০টি ভবনে আইআইইউসি’র শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যেদিকে দৃষ্টি যাবে সবুজ আর সবুজ। এভাবেই আইআইইউসি’র নিজস্ব ক্যাম্পাস সাজিয়েছেন বোর্ড অব ট্রাস্টীজের সদস্যগণ এবং বিউটিফিকেশন কমিটি।  ২০১৬ ও ২০১২ সালে সারাদেশে বৃক্ষরোপণে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরীতে আইআইইউসি প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, ইন্টারনেট ল্যাব, ৩৮০ সনঢ়ং ইন্টারনেট সুবিধা, প্রায় ১৫ হাজার  ৫০০টি  e-journals I e-books, ৩৫ হাজার টাইটেলের ৮৪ হাজার ৪৩৪টি বইয়ের লাইব্রেরী নিয়ে সমৃদ্ধ এই বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমান শিক্ষার্থী-সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার। এর মধ্যে ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা, চীন, সোমালিয়া, মালদ্বীপ, নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়া ও সুদানের ২ শতাধিক বিদেশী ছাত্র অধ্যয়ন করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অমুসলিম ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করছে।  তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম’ Federation of the Universities of the Islamic World (FUIW) এবং Association of Commonwealth Universities (ACU) এর সদস্য। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, চীন, মালয়েশিয়া, ইন্দেনেশিয়া, সৌদি আরব, থাইল্যান্ড, নেপাল, তুরস্ক, সুদানসহ বিশ্বের স্বনামধন্য ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক Memorandum of Understanding (MoU) রয়েছে। আইআইইউসির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোসতাক খন্দকারের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন আইআইইউসির বোর্ড অব ট্রাস্টীজ সদস্য ও ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, বোর্ড অব ট্রাস্টীজ সদস্য মুহাম্মদ নূরুল্লাহ, প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী । এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড. আবদুল হামিদ চৌধুরী, ট্রেজারার, আইআইইউসি,প্রফেসর ড. এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব, সিন্ডিকেট সদস্য, প্রফেসর ড. শফিউদ্দীন মাদানী, ডীন, শরী‘য়াহ অনুষদ, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ডীন, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ,প্রফেসর  মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, ডীন, কলা ও মানবিক অনুষদ ,কর্নেল মোহাম্মদ কাসেম পিএসসি (অব.), রেজিস্ট্রার, আইআইইউসি, বিভাগীয় প্রধানগণ এবং ডিভিশনের পরিচালকবৃন্দ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ