ঢাকা, মঙ্গলবার 25 February 2020, ১২ ফাল্গুন ১৪২৬, ৩০ জমাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

চীন ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হতে পারে

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ থেকে চীনে ও চীন থেকে বাংলাদেশে সকল ধরনের ভ্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে রবিবার জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।খবর ইউএনবি'র।

‘চীন-বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেক গভীর। দেশের বহুসংখ্যক মানুষ বাণিজ্যিক কারণে চীনে যাতায়াত করছে। সুতরাং এই ভয়াবহ ভাইরাস বাংলাদেশে যেকোনো উপায়ে চলে এলে এটি আমাদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে,’ মন্ত্রণালয়ে এক জরুরি বৈঠকে বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ২৮ জানুয়ারি আন্তমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে চীনে ও চীন থেকে বাংলাদেশে সকল ধরনের ভ্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।

জরুরি বৈঠকে চীন দেশে সম্প্রতি ধরা পড়া করোনাভাইরাসের ব্যাপকতা নিয়ে আলোচনা হয়।

জাহিদ মালেক রোগটি বর্তমানে কতটি দেশে পৌঁছে গেছে এবং কতজন আক্রান্ত ও মারা গেছেন সে বিষয়ে খোঁজ নেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি এ সময় দেশবাসীকে কোনো রকম আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ সার্ভিস বৈঠকে জানিয়েছে, দেশের সবগুলো বিমানবন্দর, স্থলবন্দর এবং নদীবন্দরগুলোতে থার্মাল স্ক্যানিং স্থাপন করা রয়েছে।

চীনে নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে এবং এ ভাইরাসে অন্তত এক হাজার ৯৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

রবিবার সকাল পর্যন্ত নতুন করে ১৫ জনের মৃত্যু এবং ৬৮৮ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে যা গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ।

এছাড়া হংকংয়ে ৫ জন, ম্যাকাওতে ২ জন এবং তাইওয়ানে ৩ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়েছে সরকার। এছাড়া থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নেপাল, ফ্রান্স এবং অস্ট্রেলিয়াতেও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

কানাডায় প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসে আক্রান্ত একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি সম্প্রতি চীনের উহান থেকে জিয়াংজু এবং সেখান থেকে টরেন্টো গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় চলমান পরিস্থিতিকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং। চীনা নববর্ষ উপলক্ষে কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের এক সভায় বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন তিনি।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ