ঢাকা, শনিবার 15 February 2020, ২ ফাল্গুন ১৪২৬, ২০ জমাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে কাদের-ফখরুল ফোনালাপ

গতকাল শুক্রবার ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টর: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে টেলিফোন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা বিবেচনায় নিয়ে প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আমার সঙ্গে ফখরুল ইসলাম আলমগীরের টেলিফোনে কথা হয়েছে। তিনি আমাকে অনুরোধ করেছেন, আমি যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়টি বলি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। এ ব্যাপারে খালেদা জিয়া কিংবা তার পরিবার থেকে কোনো লিখিত আবেদন করা হয়নি। তারা (বিএনপি) শুধু মুখে মুখেই মুক্তির কথা বলছেন, কিন্তু লিখিত কোনো আবেদন করেননি।’
কাদের আরও বলেন, ‘বিএনপি বারবার সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি বা প্যারোলে মুক্তি চাচ্ছে, কিন্তু বিষয়টি রাজনৈতিক মামলা নয়। সরকার বিষয়টি তখনই বিবেচনা করতে পারতো, যদি সেটি রাজনৈতিক মামলা হতো।’
তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপি) প্যারোলোর জন্য আবেদন করলে কী কী কারণে প্যারোল চান তা আবেদনে উল্লেখ করতে হবে। সেটা নিয়মের মধ্যে পড়ে কি-না তাও খতিয়ে দেখতে হবে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি আদালতের বিষয়। এ বিষয়ে তারা মুখে মুখে বলছেন কিন্তু লিখিত কোন আবেদন করেননি। তিনি বলেন, এটা দুর্নীতির মামলা। রাজনৈতিক মামলা হলে সরকার প্রধান বিবেচনা করতে পারতেন।
কাদের বলেন, তারা বারবার সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি বা প্যারোলে মুক্তি চাচ্ছে কিন্তু বিষয়টি রাজনৈতিক মামলা নয়। সরকার এ বিষয়টি তখনই বিবেচনা করতে পারতো যদি বিষয়টি রাজনৈতিক হতো।
তিনি বলেন, তারা প্যারোলোর জন্য আবেদন করলে কি কি কারণে প্যারোল চান তা আবেদনে উল্লেখ করতে হবে। সেটা নিয়মের মধ্যে পড়ে কিনা তাও দেখতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেডিকেলবোর্ড যে রিপোর্ট দেবে তা আদালতের কাছে   পৌঁছতে হবে। খালেদা জিয়ার শারিরীক অবস্থা নিয়ে নেতারা যে ভাবে বলেন দায়িত্বরত ডাক্তাররা সে ভাবে বলেন না।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরইমধ্যে তার কারাজীবনের ২ বছর কেটে গেছে।
কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত বছরের ১ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। ওই হাসপাতালে এখন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ