ঢাকা, শনিবার 15 February 2020, ২ ফাল্গুন ১৪২৬, ২০ জমাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

দেশের ৬ হাজার হেক্টর জমির ফুল চাষে ১৬শ’ কোটি টাকার বাজার

মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান : ফুল বর্তমানে দেশের একটি সম্ভাবনাময় খাত। বিভিন্ন দিবসকে সামনে রেখে দেশে বাণিজ্যিকভাবে এখন ফুলের চাষ হচ্ছে। সারাদেশে প্রায় ১৬শ কোটি টাকার ফুলের বাজার গড়ে উঠেছে। দেশের ৬ হাজার হেক্টর জমিতে এখন ফুল চাষ হচ্ছে। রজনীগন্ধা, গোলাপ, জারবেরা, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জিপসি, রডস্টিক, কেলেনডোলা, চন্দ্র মল্লিকাসহ দেশের চাষীদের উৎপাদিত ১১ ধরনের ফুল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে। বসন্তবরণ, ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সারাদেশে জমজমাট ফুলের ব্যবসা। লাভজনক প্রমাণিত হওয়ায় গত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন জেলায় দেশি-বিদেশি ফুল চাষে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত দেশের ফুলের চাহিদার অর্ধেকের বেশি পূরণ করছেন যশোর ও ঝিনাইদহের চাষিরা। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের ২৩টি জেলায় দেড় লক্ষাধিক লোক ফুল চাষের সঙ্গে জড়িত আছেন। এই মৌসুমে তাদের প্রায় সবারই ব্যস্ত সময় কাটছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফুল এখন অর্থকারী ফসল।
জানা গেছে, দেশের ফুলের চাহিদার অর্ধেকের বেশি পূরণ করছেন যশোর ও ঝিনাইদহের চাষিরা। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ও পানিসারাসহ ছয়টি ইউনিয়নের ৭০০ হেক্টরের বেশি জমিতে প্রায় ছয় হাজার চাষি সারাবছরই ফুল চাষ করেন। তাদের উৎপাদিত রজনীগন্ধা, গোলাপ, জারবেরা, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জিপসি, রডস্টিক, কেলেনডোলা, চন্দ্র মল্লিকাসহ ১১ ধরনের ফুল দেশের বিবিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে। চাষিরা জানান, এ বছর বিরূপ আবহাওয়া ও ভাইরাসজনিত কারণে ফুলের উৎপাদন অনেক কম। এ কারণে এবার ফুলের দাম বেশি। এখানকার ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তারা অন্তত ২০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি করতে পারবেন।
গদখালীর ফুলচাষিরা জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল, শীতের মাঝে বৃষ্টি ইত্যাদি প্রাকৃতিক কারণে এবার মৌসুমে ফুলের গাছ ক্ষতিগ্রস্ত ও গোলাপের কুঁড়ি পঁচা রোগ হয়। সেকারণে প্রথমদিকে আমরা তেমন একটা লাভ করতে পারিনি। কিন্তু পরবর্তীতে সেই অবস্থা থেকে কিছুটা উত্তরণ হয়। কিন্তু গোলাপের সরবরাহ বেশ কম তাই দামও বেশি। এবার বসন্ত উৎসব আর ভালোবাসা দিবস একইদিন হওয়ায় ফুল বিক্রি একটু কম হচ্ছে। আলাদা আলাদা দিবসে আমাদের ফুলের চাহিদা থাকে।
গদখালী বাজারে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপ ১৪-১৫ টাকা, জারবেরা ১০ টাকা, রজনীগন্ধা ৪-৫ টাকা, গ্লাডিওডিওলাস ১০-১২ টাকা, জিপসি (প্রতি আঁটি) ১০০ টাকা এবং প্রতি হাজার গাঁদা মিলছে ২০০ টাকায়। আর রাজধানীতে গতকাল শুক্রবার একটি গোলাপ ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন, এবার আবহাওয়ার কারণে কিছুটা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। তবে প্রতি ইউনিয়নে আমাদের তিনজন করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, আবহাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা ফুল উৎপাদন ও বিক্রির চিন্তা করি। এবার বসন্ত-ভালোবাসা দিবস ও মাতৃভাষা দিবসে আমরা আশা করছি- ২০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে। এবছর মুজিববর্ষ ঘোষিত হওয়ায় ফুলের চাহিদা থাকবে। কৃষকরা সেদিকে লক্ষ্য রেখে চাষ করছে। তিনি জানান, সারাদেশে বছরে আনুমানিক ১৬শ’ থেকে ১৭শ’ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়। মূলত নভেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত মৌসুমে বিক্রি হয় এর ৭০ শতাংশ। এছাড়া সারাবছর হিন্দুদের পূজাঅর্চনা, বিয়ে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানসহ অন্যান আয়োজনে বাকি ফুল বিক্রি হয়। এর মধ্যে বৃহত্তর যশোর থেকে বছরে হাজার ১২শ’ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়।
এদিকে দক্ষিণাঞ্চলে ফুলের রাজধানী নামে খ্যাত যশোরের গদখালী। আর ফুলের দ্বিতীয় রাজধানী নামে খ্যাতি পেয়েছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ। দেশের ফুলের ক্রমবর্ধমান চাহিদার অর্ধেক পূরণ করছে এই দুই এলাকা। বসন্ত, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ফুলচাষীরা দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার ফুল বিক্রির টার্গেট নিয়েছেন।
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলার ছয় উপজেলায় ২০৮ হেক্টর জমিতে বিদেশি ফুল লিলিয়াম, জারবেরা, গ্লাডিওলাসসহ বিভিন্ন রকমের ফুলের আবাদ হয়েছে। প্রায় ৮০০ জন কৃষক ফুল চাষ করেছেন। এর মধ্যে শুধু কালীগঞ্জ উপজেলার ফুলের আবাদ হয়েছে ৯০ হেক্টর জমিতে। কালীগঞ্জে চাষ হওয়া ফুলের মধ্যে রয়েছে- লিলিয়াম, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, গোলাপ, চন্দ্র মল্লিকা, গাঁদাসহ বিভিন্ন রকমের ফুল।
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস জানান, উৎপাদন ব্যয় কম, আবার লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা ফুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। জেলার গান্না ও কালীগঞ্জের বালিয়াডাঙ্গা, তিল্লা, সিমলা, রোকনপুর, গোবরডাঙ্গা, পাতবিলা, পাইকপাড়া, তেলকূপ, গুটিয়ানী, কামালহাট, বিনোদপুর, দৌলতপুর, রাড়িপাড়া, মঙ্গলপৈতা, মনোহরপুর, ষাটবাড়িয়া, বেথুলী, রাখালগাছি, রঘুনাথপুরসহ জেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ফুল চাষ করা হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি গাঁদা ফুল চাষ হয় কালীগঞ্জে বালিয়াডাঙ্গা এলাকায়। এ কারণে সবাই এখন এই এলাকাকে ফুলনগরী বলেই চেনেন।
একাধিক ফুলচাষিদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সারা বছরই তারা ফুল বিক্রি করে থাকেন। তবে প্রতিবছর বাংলা ও ইংরেজি নববর্ষের দিন, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ভালোবাসা দিবসে ফুলের অতিরিক্ত চাহিদা থাকে। এসময় দামও থাকে ভালো। ফুলচাষিরা নিজেরা না এসে সারা বছর তাদের ক্ষেতের ফুল চুক্তি অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বড় বড় শহরের ফুলের আড়তে পাঠিয়ে দেন। এসব স্থানের আড়তদাররা বিক্রির পর তাদের কমিশন রেখে বাকি টাকা পাঠিয়ে দেন।
সারাদেশের ফুল চাষিদের কেন্দ্রীয় প্লাটফর্ম বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির তথ্য মতে, সারাদেশে প্রায় ১৬শ কোটি টাকার ফুলের বাজার গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন দিবসকে সামনে রেখে সারাদেশেই কম-বেশি ফুলের চাষ হয়। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম বলেন, দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের ফুল দিয়েই সারা বছরের চাহিদা মেটে। তবে বাইরে থেকেও কিছু ফুল আসে। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির তথ্য বলছে, এবছর ভালোবাসা দিবসে শুধু গোলাপের চাহিদা ৫০ লাখের বেশি হলেও চাহিদা অনুযায়ী জোগান কিছুটা কম হতে পারে। কারণ, এবার যশোর এলাকায় গোলাপের ফলন খারাপ হয়েছে। সংগঠনটির তথ্য মতে, গত বছর ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত বরণকে কেন্দ্র করে ২০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়েছিল। এবারও ১৯০ থেকে ২০০ কোটি টাকার ব্যবসা হবে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ফুলের বাজার আরও বড় হবে। ফুলের বাজার ইতিমধ্যে অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ফুলের চাহিদা বাড়ার কারণে কৃষকের আয় বাড়ছে। এটা এখন অর্থকারী ফসল। তিনি বলেন, মানুষের আয় যত বাড়বে এই সৌখিন বাজারও ততটা বড় হবে। এবার করোনা ভাইরাসের কারণে বিদেশি ফুল বেশি নেই।
ফুলের দোকান: সারাদেশে বর্তমানে ৬ হাজারের বেশি ছোট-বড় ফুলের দোকান আছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতেই আছে সাড়ে ৬০০ ফুলের দোকান। তবে পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসের দিনে পাড়া-মহল্লায় ফুলের ক্ষণস্থায়ী দোকান খুলে অনেকেই এ ব্যবসা করেছেন।
বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ইংরেজি নববর্ষ তথা ১ জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি মাসে বসন্তবরণ উৎসব, ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি, আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, পহেলা বৈশাখ তথা ১৪ এপ্রিল এবং ১৬ ডিসেম্বর তথা বিজয় দিবস। তবে সনাতন ধর্মালম্বী হিন্দুদের পুজা, বিয়ে ও বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠানেও ফুলের দরকার হয়।
ফুলের কদর: দেশের ফুল চাষিরা ১১ জাতের ফুল উৎপাদন করেন। এছাড়া আরও চার জাতের ফুল বিদেশ থেকে আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা দেশের উৎপাদিত গোলাপ ফুলের। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, বাজারে বিক্রি হওয়া মোট ফুলের ৩৫ শতাংশই গোলাপ ফুল। গ্লাডিওলাস ২৫ শতাংশ, রজনী ২০ শতাংশ, জারবেরা ১০ শতাংশ এবং গাদা ও অন্যান্য ফুল ১০ শতাংশ বিক্রি হয়।
কোন ফুলে মূল্য কত: রাজধানীতে যে গোলাপ ফুলের দাম ১০০ টাকা, যশোরের গদখালী হাটে পাইকারিতে সেই গোলাপ ১৫-১৬ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। গত বছরে প্রতিটা গোলাপ ১০ থেকে ১২ টাকায় চাষিরা বিক্রি করেছেন। গদখালী হাটে জারবেরা ১২-১৩ টাকা, গ্লাডিওলাস ৭-৮ টাকা, রজনীগন্ধা ৪-৫ টাকা, প্রতি আঁটি জিপসি ২০ টাকা, কামিনী পাতার আঁটি ১০০ টাকা ও গাঁদা প্রতি হাজার ২০০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে।
বাড়ছে ফুলের চাষ: ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের ২৩টি জেলায় দেড় লক্ষাধিক লোক ফুল চাষের সঙ্গে জড়িত আছেন। ফুল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফুলের ব্যবসা এখন লাভজনক ব্যবসা। গত কয়েক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় দেশি-বিদেশি ফুল চাষে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হর্টিকালচার উইং সূত্র জানাচ্ছে, প্রতিবছর ফুলের চাষ বাড়ছে। ২০১৬-১৭ সালে দেশে ২ হাজার ৩৪ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়েছিল। আর ২০১৮-১৯ সালে সেখান থেকে এক হাজার হেক্টরের বেশি বেড়েছে। যশোরের গদখালীর ফুলচাষিরা বলেন, অন্য ফসল চাষের চেয়ে এখন ফুল চাষে লাভ বেশি। যে কারণে অনেকেই ফুল চাষে আগ্রহী হচ্ছে।
বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম জানিয়েছেন, আগে বাণিজ্যিক ভাবে ফুল রফতানি হলেও এখন আর হচ্ছে না। তবে ফুলের রফতানি বাজার গড়ে তোলার জন্য এখন বিভিন্ন দেশে মাঝেমধ্যে ফুলের স্যাম্পল পাঠান তারা। দুই-তিন বছর আগে ফুল রফতানি হতো মধ্যপ্রচ্যের কয়েকটি দেশে। বর্তমানে ফুল রফতানি হচ্ছে না। ফুল রফতানি নিয়ে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবি যে তথ্য দেয়, সেটা মূলত, পান রফতানির তথ্য। পানের এইচএস কোড আর ফুলের এইচএস কোড একই। যে কারণে অনেকেই ফুল রফতানি হচ্ছে বলে ধরে নেয়। আবদুর রহিম জানান, ফুল রফতানির কোনও নীতিমালা নেই। এ জন্য ফুল ব্যবসায়ীরা ফুল রফতানির একটি নীতিমালা চান। পাশাপাশি রফতানির জন্য সরকারের সহযোগিতা চান তারা।
ফুলের শত্রু প্লাস্টিকের ফুল: সবচেয়ে বেশি আমদানি হয় প্লাস্টিকের ফুল। এছাড়া যেসব ফুল দেশে উৎপাদন হয় না, সেসব ফুল মাঝেমধ্যে আমদানি হয়। যেমন, লং স্টিক রোজ, লিলিয়াম, জারবেরা, স্টোমা, কার্নিশন। নতুন নতুন ফুল আমদানি হলে তাকে স্বাগত জানান দেশের ফুল চাষিরা। কারণ, আমদানি করা ফুলের চাহিদা বাড়লে, দেশের ফুল চাষিরা দেশেই সেই ফুল উৎপাদন করতে পারেন। যেমন, জারবেরা এখন দেশেই উৎপাদন করেন আমাদের ফুল চাষিরা। বাংলাদেশে ১৩ টি কালারের এই ফুল পাওয়া যায়। প্লাস্টিকের ফুল এখন দেশের ফুল চাষীদের ও ফুল ব্যবসায়ীদের প্রধান শত্রু। ফুল চাষীরা বলছেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখন প্লাস্টিকের ফুল ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেকে প্লাস্টিকের ফুল বাড়িতে সাজিয়েও রাখছেন। এতে ফুল চাষীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ প্রসঙ্গে আবদুর রহিম বলেন, আমরা প্লাস্টিকের ফুল আমদানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে। কিন্তু এখনও প্লাস্টিকের ফুল আসছেই। প্লাস্টিকের ফুল আমদানি বন্ধে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ফুল ব্যবসায়ীরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ