ঢাকা, শনিবার 14 March 2020, ৩০ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৮ রজব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

খুলনার কাজীবাছার বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

খুলনা অফিস: খুলনার বটিয়াঘাটার শিয়লীডাঙ্গা খেয়াঘাটের দক্ষিণ পাশে কাজীবাছা নদীর ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা লোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। লোনা পানি প্রবেশ করে শিয়ালীডাঙ্গাসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামের বসতবাড়ি, মৎস্য ঘের, রবিশস্যের ক্ষেত, গবাদী পশুসহ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি পানি বাহিত রোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানায়, গত বুধবার মধ্যরাতে পূর্ণিমার গোনে নদীতে অতিরিক্ত পানি বৃদ্ধি পাওয়া ও কাজীবাছা নদীর প্রবল স্রোতের তোড়ে উপজেলার শিয়ালীডাঙ্গা খেয়াঘাটের দক্ষিণ পাশে প্রায় ১শ’ ফুট ওয়াপদার ভেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। এতে ৩৪/২ নং পোল্ডারের আওতাধীন আমীরপুর, বালিয়াডাঙ্গা ও ভান্ডারকোট ইউনিয়ন এলাকায় প্রবল বেগে লোনা পানি প্রবেশ করে। ফলে গ্রামের বসতবাড়ি, মৎস্য ঘের, রবিশস্যের ফসল ভরা ক্ষেত তলিয়ে যায়। এছাড়া লোনা পানিতে মিষ্টি পানিতে সৃষ্ট ফলজ, বনজসহ যাবতীয় বৃক্ষাদী মারা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। লোনা পানি স্থায়ীভাবে সমতলে অবস্থান করলে সেখানে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি পানিবাহিত রোগবালাই ও জীবানু বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে। 

এলাকার সাবেক মেম্বর মঞ্জু শেখ, মোস্তাফিজুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, পলাশ খান, আছাবুর রহমান, সাইদুর, বাবলু শেখ, ফোরকানসহ শিয়ালীডাঙ্গা গ্রামবাসী জানান, শিয়ালীডাঙ্গা গ্রামের প্রধান সড়কের দক্ষিণ পাশের বাড়িঘর, মৎস্য ঘের ও ফসলের ক্ষেত লোনা পানি প্রবেশের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভাঙনের কারণে রাতে পানি প্রবেশের সময় বাড়ির নারী-পুরুষসহ শিশুরা ভয়ে জেগে থাকছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশের বিষয়টি পাউবোসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। দ্রুত ওয়াপদার বেড়িবাঁধের বিকল্প রিং বাঁধ নির্মাণ করা হবে।  পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার জানান, বিষয়টি আমরা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পূর্ণিমার গোনের প্রভাব কমে গেলেই বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করব।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ