ঢাকা, বুধবার 1 April 2020, ১৮ চৈত্র ১৪২৬, ৬ শাবান ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

মদনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবার হালচাল

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: গতকাল মদনপুর উপজেলার দক্ষিণপাড়া গ্রামের দুই বছরের অবুঝ শিশু ইমা আক্তার খাট থেকে পড়ে গেলে হাত ভেঙে যায়। উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তড়িঘড়ি করে তার ডান হাতে প্লাস্টার করে দেওয়া হয়। পরে দেখা যায়, তার বাম হাত ভেঙেছে।খবর ইত্তেফাকের।

এক্সরে করার পর জরুরি বিভাগের চিকিত্সক উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার মিরাজুল ইসলাম মিরাজকে দেখান। তিনি রোগীকে ভালোভাবে না দেখেই ইমা আক্তারের ডান হাত প্লাস্টার করে বসেন। অথচ তার বাম হাত ভাঙা ছিল। বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর ইমা আক্তার যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে। মা আবার তার সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এবার চিকিত্সক মিরাজুল ইসলাম আরেকটি এক্সরে দেন এবং ডান হাত খুলে বাম হাতে প্লাস্টার করেন।

শিশুটির মা তাসলিমা আক্তার জানান, অনেকবার বলার পরও মেয়ের ভুল হাতে প্লাস্টার করা হয়।

চিকিত্সকের কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলে শিশুটির বাবা ইঁদুচান বলেন, হাসপাতাল থেকে আমাদের একটা ট্যাবলেটও দেওয়া হয়নি। জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জানিয়ে এর তদন্ত দাবি করেন তিনি।

মিরাজুল ইসলাম মিরাজ জানান, তারা আমাকে না বলে এক্সরে করে নিয়ে এসেছে। শিশুটির ডান হাতে ধরতেই ব্যথা অনুভব করায় প্লাস্টার করেছিলাম। এক্স-রেতে কোন হাতে ব্যথা তা লেখা ছিল না। ফলে ভুলটি হয়েছে। আবার নতুন এক্সরে করে বাম হাতে প্লাস্টার করেছি।

জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাক্তার ফখরুল হাসান চৌধুরী টিপু এই ঘটনাকে খুবই দুঃখজনক উল্লেখ করে তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ