ঢাকা, শুক্রবার 20 March 2020, ৬ চৈত্র ১৪২৬, ২৪ রজব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

সাংবাদিক কাজলকে অপহরণের মামলা ৮ দিনের মাথায় অবশেষে নিয়েছে পুলিশ

 

স্টাফ রিপোর্টার : সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দুই থানার মধ্যে ঠেলাঠেলির পর আট দিনের মাথায় মামলা নিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে তার ছেলে মনোরম পলকের দায়ের করা অপহরণের অভিযোগে বুধবার রাতে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে চকবাজার থানার ওসি মওদুত হাওলাদার জানিয়েছেন।

এজাহারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ১০ মার্চ বিকালে মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে কাজলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।“সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখির কারণে ওই দিন তাকে বকশীবাজার বাসার সামনে থেকে অথবা হাতিরপুলের অফিসের সামনে থেকে অজ্ঞাতনামা কেউ তাকে অপহরণ করেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।”এই ঘটনায় দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে ওসি মওদুত জানান।

ক্ষমতাসীন দলের একজন সংসদ সদস্যের মামলার পর থেকে নিখোঁজ সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের সন্ধান এখনও না পেয়ে উৎকণ্ঠায় থাকা তার পরিবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জানিয়েছে ক্ষোভ।

কাজলের ছেলে মনোরম পলক অভিযোগ করেছিলেন, তারা মামলা করতে চাইলেও চকবাজার ও নিউ মার্কেট থানা একে অন্যকে দেখাচ্ছে।

পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেও এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। চকবাজার থানা বলেছিল, তারা মামলার উপাদান খুঁজে পাচ্ছেন না।

এদিকে আট দিনেও কাজলের সন্ধান না মেলায় প্রশাসনের উদ্যোগহীনতায় সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোও ক্ষোভ জানিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কর্মসূচি দিয়েছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন।

দৈনিক সমকাল ও বণিক বার্তায় ফটো সাংবাদিক হিসেবে কাজ করা কাজল এখন ‘পক্ষকাল’ নামের একটি পাক্ষিক পত্রিকা সম্পাদনা করছেন। গত ১০ মার্চ থেকে তিনি নিখোঁজ।

তার আগের দিনই মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর শেরেবাংলা নগর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন, তাতে আসামীর তালিকায় কাজলের নামও রয়েছে।

যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার ওয়েস্টিন হোটেলকেন্দ্রিক কারবারে ‘জড়িত’দের নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ফেইসবুকে লেখালেখি নিয়ে মামলাটি হয়, যাতে মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীও আসামী।

কাজল নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী চকবাজার থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ