ঢাকা, সোমবার 6 April 2020, ২৩ চৈত্র ১৪২৬, ১১ শাবান ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

খুলনায় স্বল্পমূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করছে এমআইএসটি

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস আতঙ্ক এখন সারা দেশে। এ অবস্থায় খুলনার মার্কেটগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং হ্যান্ডওয়াশের সংকট দেখা দিয়েছে। নগরীর ফুটপাতগুলোতে মাস্কেরও ব্যাপক ছড়াছড়ি। বাহারি রঙ-বেরঙের এই মাস্কের মান নিয়েও চিন্তিত সাধারণ মানুষ।

এ ছাড়া ফার্মেসি থেকে শুরু করে সর্বত্র স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশের সংকটের কারণে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

সবাই যখন বেশি দামে পণ্য বিক্রি করতে ব্যস্ত, তখন বাজার থেকে প্রায় অর্ধেক দামে ওই সব পণ্য সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে খুলনার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ম্যানগ্রোভ ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)।

জানা যায়, করোনাভাইরাস প্রতিরোধমূলক হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ ও মাস্ক স্বল্পমূল্যে ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। নগরীর বৈকালীর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান, হটলাইন ও কুরিয়ারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এই তিনটি সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

এমআইএসটির চেয়ারম্যান এসএম সাইফুল ইসলাম বলেন, হুর গাইডলাইন মতে, ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল দিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করা হচ্ছে। ১০০ এমএলের মূল্য ৯৫ টাকা এবং ৫০ এমএলের মূল্য ৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাজারের হ্যান্ড স্যানিটাইজারের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।

এ ছাড়া হ্যান্ডওয়াশের মূল্য বাজার থেকে ১০-১৫ টাকা কমে এবং মাস্ক ৮-১০ টাকা মূল্যে উৎপাদন করে বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. বদিউজ্জামান বলেন, সরকারিভাবে পিপিইর কাঁচামাল সরবরাহ করতে পারলে প্রতিদিন এক হাজার পিপিই খুলনাতে উৎপাদন করা সম্ভব।

রোববার থেকে আমাদের ল্যাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং হ্যান্ডওয়াশ উৎপাদন করা হয়েছে। স্বল্পসময়ের মধ্যে খুলনার সাধারণ মানুষ আমাদের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে পারবে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের এ দুযোর্গের সময় ব্যবসা না করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরিবেশ অধিদফতরের উদ্যোগে স্বল্পমূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদন করার প্রক্রিয়া চলছে। এগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ