ঢাকা, বৃহস্পতিবার 26 March 2020, ১২ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ রজব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

করোনায় খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা

২৫ মার্চ, ইন্টারনেট : বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (ফাও) বলছে, সিঙ্গাপুর থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত সর্বত্র মানুষ খাদ্য সামগ্রী থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রি মজুদ করতে ক’সপ্তাহ ধরেই সুপার সপগুলোতে লাইন দিচ্ছে। লকডাউন ও আতংকে মানুষ খাদ্য মজুত করতে লেগে পড়েছে। এটা স্ফুর্লিঙ্গের মত ছড়িয়েও পড়ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে খাদ্যমূল্য আরো বাড়বে। বিশেষ করে প্রধান প্রধান খাদ্যশস্য ও তেলবীজ রফতানিকারক দেশগুলোতেই এটা ঘটবে।

পৃথিবীর ধনিদেশগুলো, মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত অপেক্ষাকৃত কম স্বচ্ছল দেশগুলোর জন্য বড় অংকের অনুদানের ঘোষণা করছে। আপদকালীন সময়ের জন্য এসব দেশের সরকার এবং মিল মালিকরা বড় আমদানি কারকদের কাছ থেকে ব্যাপক আকারে খাদ্যশস্য কিনতে শুরু কেেরেছ। 

এটা খাদ্যমূল্য স্ফীতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ইউনাইটেড নেশনস ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গেনাইজেশন (ফাও) এর প্রধান অর্থনীতিবিদ আবদুল রেজা আব্বাসি এই মন্তব্য করেছেন।

তিনি রয়টারকে বলেছেন, এটা সরবরাহ পরিস্থিতির বিষয় নয়, এটা হল আচরণ পরিবর্তনের সমস্যা। তিন বলেন, বড় আকারের খাদ্যশস্য আমদানি কারকরা যদি মনে করে, করোনার কারণে তারা মে-জুন মাসে খদ্যশস্যের শিপমেন্ট করতে পারবেনা। তাহলে এই সময়টাতে তারা খাদ্য শস্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। কোথাও কোথাও দিচ্ছেও। এর ফলে কোন কোন দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। যা একপর্যায়ে বিশ্ব খাদ্য সংকটের রূপ নিতে পারে।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বিশ্বের সব থেকে বড় গম রফতানি বাজার শিকাগোতে এক সপ্তাহে গমের দাম ৬ শতাংশ বেড়েছে। এটা গত ৯ মাসের মধ্যে কোন একক সপ্তাহে সব থেকে বেশি দাম বৃদ্ধির ঘটনা। অপর দিকে ইতো মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ চাল রফতানিকারক দেশ থাইল্যান্ডে চালের দাম ২০১৩ সালের পর থেকে সব চেয়ে বেশি বেড়ে গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ