ঢাকা, বৃহস্পতিবার 26 March 2020, ১২ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ রজব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

খুমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মস্থলে ফিরেছে

খুলনা অফিস : গণপরিবহণ বন্ধ থাকার কারণে খুলনা সদর হাসপাতালে Personal Protection Equipment (PPE) পৌঁছেনি। এর ফলে অনেকটা দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে কর্মবিরতিতে থাকা ইন্টার্ন চিকিৎসকরা রোগীর সেবা দিতে শুরু করেছেন। খুমেক হাসপাতালে সর্দি-কাশি জ্বরের রোগীদের জন্য বহিঃবিভাগে আলাদা ইউনিট চালু করেছেন। খুলনা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, তাদের চাহিদা দেয়া (চচঊ) গুলো ঢাকায় মজুদ রয়েছে। কিন্তু পরিবহণগুলো বন্ধ থাকার কারণে তা আর খুলনা আনা সম্ভব হচ্ছে না। যার কারণে অনেকটাই দুঃশ্চিন্তায় মধ্যে আছে। এগুলো সময় মতো না পৌঁছালে আতঙ্ক বেড়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। খুমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. শেখ আতিয়ার রহমান বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এছাড়া সর্দি-কাশি ও জ্বর নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের জন্য আলাদাভাবে ইউনিট খোলা হয়েছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগে গতপরশু এই ইউনিটটি চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালে সকল ভর্তি রোগী ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বর অসুস্থ না হলে কোনো রোগীকে ভর্তি করা হচ্ছে না। তবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, শ্বাসকষ্ট, কাশি ও সর্দিজ্বর নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (খুমেক) ভর্তি হওয়া দুইজন রোগী মারা যায়। দুজনের মধ্যে একজন ভারত ফেরত ছিলেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে তারা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। দুইজনের মধ্যে একজনের বাড়ি বাগেরহাটের মংলায়, অন্যজনের বাড়ি নড়াইলে। খুমেক হাসপাতালের পরিচালক এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, গত ১৯ মার্চ দুপুরে শ্বাসকষ্ট, সর্দিজ্বর ও কাশি নিয়ে মোংলা থেকে একজন রোগী খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘন্টাখানেকের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে বৃহস্পতিবার রাতে নড়াইল থেকে একজন রোগী শ্বাসকষ্ট, সর্দিজ্বর ও কাশি নিয়ে নগরীর একটি ক্লিনিকে ভর্তি হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই ওই রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, মৃত দু’জনের শরীরে করোনাভাইরাস থাকতে পারে সন্দেহে তাদের পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অবহিত করা হয়েছে।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ