মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

খুলনায় ভয়ংকর সন্ত্রাসী রহিম নিহতের ঘটনায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের

খুলনা অফিস : খুলনায় ভয়ংকর সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম নিহতের ঘটনায় অস্ত্র-গুলি উদ্ধার এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। খুলনা সদর থানার এসআই টিপু সুলতান বাদি হয়ে এ মামলা দু’টি দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়েছেন এসআই আব্দুল হান্নান। অপরদিকে আব্দুর রহিমের (২৯) লাশের ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার লাশ রেলওয়ে এলাকার কবরখানায় দাফন করা হয়েছে।
খুলনা সদর থানার ওসি এম এম মিজানুর রহমান জানান, গত শনিবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে সন্ত্রাসী রহিমের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওসি আরো বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্ত্রাসী আব্দুর রহিমকে নগরীর বড়বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তাকে থানায় রেখে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আব্দুর রহিম স্বীকার করে তার কাছে অস্ত্র ও গুলি আছে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে রাত পৌণে ৪টার দিকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে শিল্প ব্যাংক ভবনের পিছনে অভিযানে যায় পুলিশের একটি চৌকস দল। অভিযানে থাকা পুলিশ সদস্যরা শিল্প ব্যাংকের পিছনে পৌঁছালে সেখানে লুকিয়ে রাখা একটি বড় রাম দা, একটি চাপাতি ও ৪ রাউন্ড গুলি বের করে দেয় সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম। উদ্ধার হওয়া দেশীয় অস্ত্র ও গুলি নিয়ে রাত ৪ টার দিকে খুলনা থানায় ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা করলে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ১০/১২ রাউন্ড গুলি চালায়। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ৫ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোঁড়ে। গোলাগুলির সময় সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম পুলিশকে কিল ঘুষি মেরে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় সহযোগী সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলি রহিমের দুই হাঁটুতে বিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। গোলাগুলির একপর্যায়ে সহযোগী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে আহত সন্ত্রাসী আব্দুর রহিমকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রহিমের অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশ প্রহরায় এ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এ্যাম্বুলেন্সটি কাওড়াকান্দি ঘাট হয়ে ওপারে মাওয়া ঘাটে পৌঁছালে বিকেলে আব্দুর রহিম মারা যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ