বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ঢাকা-১৫ আসনে হামলা-মামলা মারপিট আরো বেড়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলেই সরকার বিরোধী দলের ওপর হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। তারা ৫ জানুয়ারির আদলে আবারও একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জবরদখল করতে চায়। কিন্তু সচেতন জনতা সরকারের সে স্বপ্নবিলাস কখনোই সফল হতে দেবে না এবং শত বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সারাদেশের মত ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষে বিজয় নিশ্চিত করবে। তিনি ৩০ ডিসেম্বর দলে দলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে রুখে দেয়ার আহ্বান জানান।
গতকাল বুধবার রাজধানীতে ঢাকা-১৫ আসনে ২০ দলীয় জোট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থনে ২০ দলীয় জোট মিরপুর থানার ১৩ নং ওয়ার্ড আয়োজিত প্রচার মিছিল পরবর্তী পথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ৯ টায় প্রচার মিছিলটি ৬০ ফিট ছাপরা মসজিদ থেকে শুরু হয়ে আমতলা বাজারে এসে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষের মিডিয়া সমন্বয়ক মুহাম্মদ আতাউর রহমান সরকার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সালাহউদ্দীন আইয়ুবি, মিরপুর থানা ২০ দলীয় জোট নেতা নাসির উদ্দীন, ডা. মঈন উদ্দীন, আব্দুল আউয়াল আজম, সাইফুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান ও ছাত্রনেতা জোবায়ের হোসেন রাজন প্রমুখ।
মাহফুজুর রহমান বলেন, ঢাকা নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসন। এ আসনে ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বিশিষ্ট চিকিৎসক, স্বনামধন্য সমাজসেবক, খ্যাতিমান সংগঠক, প্রখ্যাত রাজনীতিক, ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল জননেতা ডা. শফিকুর রহমানকে। কিন্তু নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণেই তিনি এখনো নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন নি। এমনকি ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও নির্বিঘেœ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন নি। সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশ যুগপৎভাবে তাদের উপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে নির্মমভাবে মারধর, যানবাহন ভাঙচুর, প্রচার সামগ্রী ও নগদ অর্থ লুটের ঘটনাও ঘটাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতার অব্যাহত আছে। শুধু ঢাকা-১৫ আসনেই এ পর্যন্ত দু’শতাধিক ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেক নেতাকর্মীকে গুমও করা হয়েছে। মূলত লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড তো দূরের কথা বরং বিরোধী দল নির্বাচনী প্রচারের ন্যুনতম সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে জনগণ ফ্যাসীবাদী সরকারকে বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবে না বরং ৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ