বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

সারা চৌদ্দগ্রামে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে -ডা.তাহের

কুমিল্লা অফিস : সারা চৌদ্দগ্রামে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ধানের শীষের নেতাকর্মীরা গণসংযোগ-মিছিল করলেই সেখানে বাড়ি ঘর ভাংচুর করছে। কিছুক্ষণ পর থানা পুলিশ গিয়ে উল্টো নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে। স্বাধীন দেশে প্রশাসনের একমুখী আচরণ দেখে ভোটাররা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যেই আ’লীগ জেনেছে-৩০ ডিসেম্বর ধানের শীষের নীরব  ভোট বিপ্লব হবে। এ কারণে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধানের শীষের ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছে বলে অভিযোগ করছেন কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা.সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হাজারো বাধা বিপত্তির পরেও চৌদ্দগ্রামের মানুষ ধানের শীষের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার বিতরণ, মিছিল ও উঠান বৈঠক করাসহ গণসংযোগ করে চালিয়ে যাচ্ছে। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আ’লীগের প্ররোচনায় পড়ে পুলিশ মঙ্গলবার দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় জামায়াত নেতা বেলাল হোসাইন ও কর্মী বাবর মোল্লাকে আসামী করে। পুরো চৌদ্দগ্রামকে আতঙ্কের নগরী পরিণত করেছে পুলিশ ও আ’লীগের নেতাকর্মীরা। অবিলম্বে পুলিশকে নিরপেক্ষ ভুমিকা পালনের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রদান করতে আহবান জানান তিনি।
ডাঃ তাহের আরও অভিযোগ করেন, ঘোলপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াজি উল্যাহ ভূঁইয়া খোকনসহ ধানের শীষের ৫ নেতাকর্মীকে কোন মামলা ছাড়াই গ্রেফতার, ৩০ বাড়িতে তল্লাশী ও আ’লীগের হেলমেট-মাংকি বাহিনী অর্ধশতাধিক বাড়িতে প্রতিনিয়ত  হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে রাতে  ঘোলপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াজি উল্যাহ ভূঁইয়া খোকন, তারাশাইল বাজারের নিজ চেম্বার থেকে ডাঃ মফিজুর রহমান স্বপন, পশ্চিম ডেকরা গ্রামের মোঃ বাবুকে কোন মামলা ছাড়াই গ্রেফতার করে পুলিশ মামলা দেয়। আলকরা ইউনিয়ন শিবিরের সাবেক সভাপতি সোলেমান ফারুক, জামুকরার শেখ ফরিদকে আ’লীগের নেতাকর্মীরা মারধর শেষে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এছাড়া জামায়াত নেতা আইয়ুব আলী ফরায়েজী, মেশকাত উদ্দিন সেলিম, শাহ মিজানুর রহমান, দাতামা গ্রামের নাসেরসহ ৩০ নেতাকর্মীর বাড়িতে যৌথ বাহিনী তল্লাশী চালায়। আ’লীগের  হেলমেট ও মাংকি বাহিনী রাত জেগে মোড়ে মোড়ে পাহারা ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি প্রদান করে। শামুকসার গ্রামের খোরশেদ আলমের বাড়িতে গিয়ে মাংকি বাহিনী গরু বিক্রির ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ফকিরহাটের মাস্টার তাহেরের ছেলে ধানের শীষের সমর্থন করায় তাঁকে নাজেহাল করে। চাঁনপুর গ্রামে আবদুস সালামের বাড়িঘর ভাংচুর ও ধনুসাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনকে মারধর করে আহত করে।
তিনি বলেন,প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি হিসেবে নয়-পুলিশ আ’লীগের দলীয় নেতাকর্মী হিসেবেই কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন এসব দেখেও না দেখার ভান করছে। প্রতিদিনই জামায়াত শিবির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। অবিলম্বে গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ