শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দর ১৬ জেলার বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র

বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে অপেক্ষমান জাহাজা-কার্গো -সংগ্রাম

উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দর। ১৯৮৩ সালে এরশাদ সরকার  উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলার ব্যবসা বাণিজ্যের প্রাণ কেন্দ্র হিসেবে  সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের বড়াল নদীর তীরে স্থাপন করেন বাঘাবাড়ী নদী বন্দর। এটি বাংলাদেশ এর রাজশাহী বিভাগ এর অন্তর্গত।এটি যমুনা নদী পশ্চিম তীরে অবস্থিত ।
পদ্মা, যমুনা ও বড়াল নদীর সাথে সংযোগ থাকায় এই নদী বন্দরের ভৌগলিক ও ব্যবসায়িক গুরুত্ব অনেক বেশি। বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দরের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জ্বালানী তেল, সার,কয়লা,পাট উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় সরবরাহ করা হয়। কুলি, শ্রমিক, মালিকদের কলরবে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুখরিত থাকে বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দর। বন্দরের তীরেই রয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ৩টি তেলের ডিপো। পদ্মা, মেঘনা, যুমনা।  নদীবন্দরের পেট্রোলিয়াম ডিপো থেকে পেট্রোলিয়াম জাতীয় দ্রব্য এবং সার সরবরাহের মধ্য দিয়ে এখানে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়।  এই বন্দরটি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখছে। বাঘাবাড়ী বন্দর হল বাংলাদেশের একটি প্রধান নদীবন্দর । এই বন্দরের দ্বারা দেশের উত্তর অংশের কৃষি কাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার এই নৌবন্দর দ্বারা আনা হয়। এই বন্দর দ্বারা চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কয়লা, ডিজেল, রাসায়নিক সার নদী পথে আনা হয় ছোটো জাহাজে করে। তবে শুষ্ক মৌসুমে যমুনা নদীতে নাব্যতা সঙ্কটের কারণে বন্দরমুখী নদীতে  চর জেগে মালবাহী জাহাজ কর্গো সময়মত ভীড়তে পারেনা। বাঘাবাড়ী বন্দর থেকে প্রতিদিন উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় ছেড়ে যায় শত শত সার, কয়লা ও জ্বালানী তেলবাহী ট্যাংক। বন্দরটিকে ঘিরে এখানে গড়ে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ভাসমান বিদ্যুত প্লান্ট, সিমেন্ট ও গোÑখাদ্য তৈরী কারখানা। এছাড়াও মিল্কভিটা কারখানাও এই নদী বন্দরেই অবস্থিত। ফলে দেশের অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই নদী বন্দর থেকে অর্জিত হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ