বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

টাইগারদের কন্ডিশনিং ক্যাম্পে থাকছেন মাশরাফিও

স্পোর্টস রিপোর্টার : আফগানিস্তানের সাথে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এবং আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য তিন জাতি টি-টোয়েন্টি আসরকে সামনে রেখে আগামী ১৮ আগস্ট  থেকে শুরু হচ্ছে ক্রিকেট দলের কন্ডিশনিং ক্যাম্প। সেই কন্ডিশনিং ক্যাম্পে অংশ নিবে ৩৬ ক্রিকেটার। অংশ নেবেন অধিনায়ক মাশরাফিও। ঘরের মাঠে আগামী সেপ্টেম্বরের শেষভাগে না হয় অক্টোবরের প্রথম দিকে জিম্বাবুয়ের সাথে দুই বা তিন ম্যাচের ওয়ানডে হতে পারে জাতীয় ক্রিকেট দলের সফলতম অধিনায়কের ফেয়ারওয়েল সিরিজ। অবশ্য মাশরাফি এখনো নিজ মুখে বলেননি কবে অবসর নেবেন। তবে জিম্বাবুয়ের সাথে একটি দ্বি-পাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ আয়োজনের চিন্তা ভাবনা চলছে। ভেতরে ভিতরে তার প্রস্তুতিও চলছে। মাশরাফি যাতে ফিট হয়ে সে সিরিজে খেলতে পারেন সেটাই লক্ষ্য। তাই জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ককেও ওই ৩৬ জনের কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ডাকা হচ্ছে। আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়ে যাওয়া জিম্বাবুইয়ানরা শেষ পর্যন্ত আসতে রাজি হয়েছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা আসছে জিম্বাবুয়ে। ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে তিন জাতি ক্রিকেটেও অংশ নেবে তারা। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানিয়েছেন, ‘আমরা আফগানিস্তানের সাথে এক টেস্ট এবং জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন জাতি টি-টোয়েন্টি আসরকে সামনে রেখে আমরা ৩৬ জন ক্রিকেটারকে কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ডাকছি। ক্রিকেটার নির্বাচনের কাজ শেষ। আমরা খেলোয়াড় তালিকা বোর্ডে জমাও দিয়ে দিয়েছি। তাতে মাশরাফিও আছে। আফগানিস্তানের সাথে একমাত্র  টেস্টও খেলবেন না, টি-টোয়েন্টি সিরিজেও নেই মাশরাফি। কারণ, এই দুই ফরম্যাটে খেলেন না তিনি।’ এদিকে কন্ডিশনিং ক্যাম্পে যে ৩৬ জনকে ডাকা হবে, সেই প্রাথমিক দল ঘোষণা কবে? তা নিয়ে খানিক সংশয়ে প্রধান নির্বাচকও। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক তালিকা বোর্ডে জমা দিয়েছি। তবে ঘোষণা কবে, তা বলতে পারছি না। যেহেতু ১৮ আগস্ট ক্যাম্প শুরু, তাই তার আগে  খেলোয়াড় তালিকা মিডিয়ায় প্রকাশেরও তাড়া আছে। যে ৩৬ জনকে কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ডাকা হচ্ছে তার অন্তত তিন ভাগের এক ভাগ ক্রিকেটার (৭ থেকে ৯ জন) থাকবেন এইচপি থেকে।’ তবে ১৮ আগস্ট থেকে যে ক্যাম্প শুরু হবে, তার শুরু থেকে অংশ নিতে পারবে না। কারণ, তারা তখন শ্রীলংকায় ইমার্জিং দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে আর দুটি চার দিনের ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। এরই ফাঁকে ফাঁকে এইচপির ক্রিকেটাররা কন্ডিশনিং ক্যাম্পও করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। অবশ্য বিসিবি মাশরাফির কাছ থেকে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায়। তাই আকরাম খান তথা ক্রিকেট বোর্ড নিশ্চিত করে বলতে পারছে না জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজই মাশরাফির বিদায়ী সিরিজ। আকরামের শেষ কথা, আগে মাশরাফির কাছ থেকে পরিষ্কার ভাবে  জেনে নেই, মাশরাফি কী চায়?  সে যখন চাইবে তখনই হবে। আমরা মানে ক্রিকেট বোর্ড যেচে তাকে কিছুই বলবো না। মাশরাফিকে দেশের মাটিতে বীরোচিত বিদায়ী সংবর্ধনায় সিক্ত করতে তৈরি বিসিবি। কিন্তু সেটা কবে, কখন আর কার বিপক্ষে সে সিদ্ধান্তটা নেবেন মাশরাফি নিজে। জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশে আসবে ৮ সেপ্টেম্বর। ১৩ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর অংশ নিবে তিন জাতি টি- টোয়েন্টি সিরিজে। সেটা  শেষ হবার পরে না ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ। এখন সামনের দিনগুলোয় যদি মাশরাফি বোর্ডকে সবুজ সংকেত দেন, তাহলেই কেবল জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ আয়োজন করবে বোর্ড। সেটাই হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের মহানায়কের বিদায়ী সিরিজ। তবে মাশরাফির ঐ ঘনিষ্ঠ সূত্র আরও একটি তথ্যও দিয়েছে। তা হলো, এখন যখন জিম্বাবুয়ে আসছেই তখন হয়ত মাশরাফিও চিন্তা ভাবনা করবেন। কারণ এরপর দীর্ঘদিন  দেশের মাটিতে কোন ওয়ানডে নেই। ফলে জিম্বাবুয়ের সাথেই আাগামী মাসের শেষ দিকে বিদায়ী ওয়ানডে সিরিজ হবে। না প্রায় এক বছর অপেক্ষায় থাকতে হবে দেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজের জন্য।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ