বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০
Online Edition

সাংবাদিককে লাঠিপেটা : বরিশালে ৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ এড়াতে সরকারি প্রচারণার ছবি তুলতে গিয়ে দুই ফটোসাংবাদিককে লাঠিপেটার অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে তাদের ক্লোজ করা হয়। পাশাপাশি ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।

রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার। তিনি জানান, ওই তিন পুলিশ সদস্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ফাঁড়ির দায়িত্বে ছিল। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর তাদেরকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। ক্লোজডকৃতরা হলেন নায়েক মহসিন, কনেস্টবল কাওসার হোসেন এবং জাহিদুল ইসলাম।

শুক্রবার বিকেলে নগরীর দপদপিয়া সেতুর ঢালে বরিশাল সদর উপজেলা ইউএনও মোশারফ হোসেনের সামনে দুইজন ফটো সাংবাদিককে বেধড়ক লাঠিপেঠা করে পুলিশের একাধিক সদস্যরা। আহত সংবাদকর্মীরা একাধিকবার তাদের আইডিকার্ড ও সাথে ক্যামেরা দেখালেও নিস্তার মেলেনি পুলিশের লাঠিপেটা থেকে। আহতরা হলেন, বরিশালের আঞ্চলিক পত্রিকার ফটোসাংবাদিক সাফিন আহমেদ রাতুল ও নাছির উদ্দিন।

হামলার শিকার রাতুল জানান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যান।এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পৌঁছার পর মাস্ক পরিহিত একজন পুলিশ সদস্য তাদের পরিচয় জানতে চান।তারা নিজেদের আঞ্চলিক দুটি দৈনিকের ফটো সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন।এরপর ওই পুলিশ সদস্য তাদের বেদম লাঠিপেটা করেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন জানান, তার সঙ্গে পুলিশ ছিল। কিন্তু তিনি কাউকে পেটাতে নির্দেশ দেননি। মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান সাংবাদিকদের বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ