ঢাকা, রোববার 31 May 2020, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৭ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

করোনা সন্দেহে ফরিদপুরে স্বামী-স্ত্রী মেডিকেলে ভর্তি

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে এক ইজিবাইক চালক ও তার স্ত্রীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তাদেরকে ওই গ্রাম থেকে ফরিদপুরে পাঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

জানা যায়, জেলার মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান (৪৬) ফরিদপুর জেলা শহরে ইজিবাইক চালান। কয়েকদিন ধরে তিনি জ্বর, কাশি ও গলাব্যথায় আক্রান্ত হন। জ্বর বেশি হওয়ায় তিনি সোমবার বিকালে বাড়িতে চলে আসেন।

মঙ্গলবার বিকালে এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা মনোয়ার, সহকারি পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) আনিসুজ্জামান লালন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম ওই বাড়িতে উপস্থিত হন।

পরে অসুস্থ ইজিবাইক চালক মিজানুর রহমানের সাথে কথা বলেন এবং রাত ১০টার দিকে মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী রোজিনা বেগমকে (৩৮) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তফা মনোয়ার জানান, খবর পেয়ে রাতেই উপজেলার বড় গোপালদী গ্রামে মিজানুর রহমানের বাড়িতে আমি কর্মকর্তাসহ উপস্থিত হই। মিজানুরের সাথে কথা বলে জানতে পারি তিনি কয়েকদিন ধরে জ্বর, কাশি ও গলাব্যথায় আক্রান্ত। তার সাথে কথা বলে রাতেই তাকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মিজানুর রহমানের সাথে তার স্ত্রী রোজিনাকেও পাঠানো হয়েছে। যদিও রোজিনা এখনও সুস্থ তবে তার ডায়াবেটিক থাকায় মিজানুর তার স্ত্রী রোজিনাকে সাথে নিয়ে গেছে। সিভিল সার্জনের সাথে কথা বলে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

ইউএনও মো. মোস্তফা মনোয়ার আরো জানান, বড় গোপালদী গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়ি সহ পাশ্ববর্তী মিজানুরের চাচাতো ভাই সালাম ও কালামের বাড়ির সকল সদস্যকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দিকুর রহমান জানান, মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী রোজিনাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেলে বলা যাবে তিনি ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত কি না।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ