রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
Online Edition

রানবন্যার বিশ্বকাপে ছয় চার সেঞ্চুরিতে এগিয়ে যারা

স্পোর্টস ডেস্ক : দীর্ঘ দেড় মাস ও ৪৮ ম্যাচের লড়াইয়ের পর পর্দা নামল বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের। এবারের আসরে রানববন্যার আভাস ছিল টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই। চার ছক্কার ফুলঝুরড়ি ছুটিয়ে ১০ দলের ব্যাটাররাই করেছেন প্রচুর রান। চার-ছক্কা ও সেঞ্চুরিতে এবারের বিশ্বকাপে এগিয়ে যারা।

রানবন্যার বিশ্বকাপে সবার উপরে ভারত: ইতিহাসে এবারই প্রথম ২৩ হাজার রানের মালিকফলক ছুঁয়েছে কোনো বিশ্বকাপের আসর। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে উঠেছিল ২২ হাজার ২৯৩ রান। এই আসরের সেমিতেই ২০১৫ বিশ্বকাপের রেকর্ড ভেঙ্গেছে, অপেক্ষা ছিল ২৩ হাজারের। আহমেদাবাদের ফাইনালের পর এবারের বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত উঠলো ২৩ হাজার ৪৫৭ রান। ১০ দলের মাঝে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন ভারত, ১১ ম্যাচে তাদের রান ৩০৫০। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, ১১ ম্যাচে তাদের রান ২৯৬৩। তাদের পরে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা, তাদের রান ২৭৭৩। চতুর্থ স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড, তাদের রান ২৭১২। বাংলাদেশ করেছে ৯ ম্যাচে ১৯৪৪ রান।

চারে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া: এবারের আসরে ১০ দল মিলিয়ে ৪৮ ম্যাচে মেরেছে ২২৩৯টি চার, যা বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ, সেবার হয়েছিল ২১৭০ টি চার। দুই হাজারের বেশি চার আর কোন বিশ্বকাপে হয়নি। ২০১১ বিশ্বকাপে হয়েছিল ১৯০২ টি চার, ২০১৯ বিশ্বকাপে এসেছিল ১৯৮২টি চার। ফাইনালের আগ পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার মারায় সমান অবস্থানে ছিল ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তবে ফাইনালে ২২টি চার মেরে সবার উপরে উঠেছে অজিরা, তাদের চারের সংখ্যা ২৮৭টি। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারত, তাদের চারের সংখ্যা ২৭৮টি।তৃতীয় স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড, তাদের চার ২৬৫। দক্ষিণ আফ্রিকার অবস্থান চতুর্থ, মেরেছে ২৪৩টি চার। এরপর আছে ২২০ চার মারা পাকিস্তান, ২১৬ চার মারা ইংল্যান্ড, ২০১ চার মারা শ্রীলংকা। অষ্টম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ, তারা মেরেছে ১৮৮ চার। এরপর আছে আফগানিস্তান, ১৭৮ চার। সবচেয়ে নিচে আছে ১৬৩ চার মারা নেদারল্যান্ডস।

ছয়ে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা: বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড হয়েছে এবারের বিশ্বকাপে। ৪৮ ম্যাচে ছক্কার সংখ্যা ৬৪৪টি। এক আসরে এবারই প্রথম ৫০০ ০ ৬০০ ছক্কার মাইলফলক ছুঁয়েছে বিশ্বকাপ। এর আগে সর্বোচ্চ ছক্কা ছিল ২০১৫ বিশ্বকাপে, সেবার হয়েছিল ৪৬৩ ছক্কা। সবচেয়ে বেশি ছক্কা মেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ১০ ম্যাচে তাদের মোট ছয় ৯৯টি। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া, তাদের ছক্কা ৯৭টি। ৯২ ছয় নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত। ৮২ ছক্কা নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তান মেরেছেন ৬০টি, ইংল্যান্ড ৫১টি, শ্রীলংকা ৪৫টি, বাংলাদেশ ৪৩টি ও আফগানিস্তান ৪২টি। সবচেয়ে কম ছক্কা মেরেছে নেদারল্যান্ডস, তাদের ছয় ৩৩টি।

সেঞ্চুরিতেও এগিয়ে প্রোটিয়ারা: এবারের বিশ্বকাপ দেখেছে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডও। ফাইনালে ট্রাভিস হেডের সেঞ্চুরিতে এই আসরে মোট সেঞ্চুরি হয়েছে ৪০টি। ২০১৫ বিশ্বকাপে এর আগে সর্বোচ্চ ৩৮ সেঞ্চুরি দেখেছিল বিশ্বকাপ। ২০১৯ বিশ্বকাপে হয়েছিল ৩১টি সেঞ্চুরি। ২০১১ বিশ্বকাপে হয়েছিল ২৪ সেঞ্চুরি।

ছয়ের সাথে সেঞ্চুরির দিক দিয়েও এগিয়ে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সর্বোচ্চ নয়টি সেঞ্চুরি এসেছে তাদের ব্যাটারদের থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আটটি সেঞ্চুরি করেছে অস্ট্রেলিয়ানরা। এরপর ৭টি সেঞ্চুরি আছে ভারতের, নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা করেছে ছয়টি সেঞ্চুরি। পাকিস্তান ও শ্রীলংকার ব্যাটাররা করেছেন তিনটি করে সেঞ্চুরি। ইংলিশ ব্যাটাররা করেছ দুটি সেঞ্চুরি। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান করেছে একটি করে সেঞ্চুরি। একমাত্র দল হিসেবে নেদারল্যান্ডের ব্যাটাররা কোনো সেঞ্চুরি পাননি। ওয়ানডে বিশ্বকাপের সবকটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন জিটিভি। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম র‌্যাবিটহোলবিডি'তেও দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ