সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪
Online Edition

সুগারে কি বাদ মাটির নীচের সবজি? 

ডায়াবেটিসে বুঝেশুনে খাওয়া-দাওয়া না করলে বিপদ। সাধারণত, শাকসবজি, দানাশস্য খেলেই রক্তে সুগার লেভেলকে বশে রাখা যায়। তবে, শাকসবজি খাওয়া নিয়েও অনেকে দ্বন্দ্বে থাকেন। সব ধরনের আনাজপাতি আদৌ খাওয়া যায় কি না, সেটাই বুঝতে পারেন না অনেকে। বিশেষত, কন্দজাতীয় আনাজ (যেসব সবজি মাটির নীচে হয়) খেলে সুগার বেড়ে যাবে এই ভয় পান সকলে। অনেকের ধারণা এই ধরনের খাবারে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। এই ধারণা ভুল। বরং, এই ৭ কন্দজাতীয় সবজি ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। বিট: বিটের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি রয়েছে। বিট খেলে দেহে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত হয়। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। স্নায়ু ও চোখের ক্ষয় প্রতিরোধ করে বিট। গাজর: গাজরের মধ্যে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, ফাইবারের মতো পুষ্টি রয়েছে। এগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। গাজর ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। ওল: ওলের মধ্যে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। পাশাপাশি ওলের মধ্যে কার্বসের পরিমাণ কম এবং ফাইবারের পরিমাণ বেশি। এই সবজি সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায়। পেঁয়াজ: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের মধ্যে একাধিক প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেলে ভরপুর পেঁয়াজ। পেঁয়াজ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে না। মুলা: মুলার মধ্যে থাকা একাধিক রাসায়নিক যৌগ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ডায়াবেটিসের রোগীরা মুলা খেলে ইনসুলিন হরমোনের ভারসাম্যহীন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আদা ও রসুন: এই দুই উপাদানই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আদা ও রসুনে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি শারীরিক প্রদাহ কমায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। কন্দজাতীয় সবজি খাবেন যেভাবে- যে সবজির মধ্যে স্টার্চ ও শর্করার পরিমাণ বেশি, সেগুলো সেদ্ধ করে পানি ফেলে দিন। এতে সবজি থেকে অতিরিক্ত শর্করা কিছুটা হলেও বেরিয়ে যায়। এভাবে আপনি ডায়াবেটিসে আলুও খেতে পারেন। কোনও ভয় নেই। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ